• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকৌশলীর তীব্র প্রতিবাদ: থানায় পরপর দুটি অভিযোগ নদী খননে দৃশ্যমান সাফল্য: কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশলী মামুন কিশোরীর মৃত্যুর জেরে উত্তপ্ত মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল: ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া কমিটি বিলুপ্তির নেপথ্য কারণ ও ঢাকা উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে আসার দৌড়ে এগিয়ে যারা চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: সরকারের সবুজ সিগন্যালে সক্রিয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিরাজদিখানের ভবানীপুরে মাওলানা মনির ও তাঁর পরিবারকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা নারীদের ব্ল্যাকমেইল ও চাকরির প্রলোভন: সচিবালয়ের ফটোকপি ম্যান মিজানের যত অপকর্ম! সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ: মেঘনা আলম পর্দার আড়ালের মাদক সাম্রাজ্য ও মানি লন্ডারিং সিন্ডিকেট: উত্তরাধিকার নেটওয়ার্কে যার নিয়ন্ত্রণ ধর্মীয় লেবাসধারী ভণ্ডদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছি, দাড়ি-টুপির বিরুদ্ধে নয়: রবিউল ইসলাম নয়ন

নারীদের ব্ল্যাকমেইল ও চাকরির প্রলোভন: সচিবালয়ের ফটোকপি ম্যান মিজানের যত অপকর্ম!

এম রাসেল সরকার / ৯২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

​মো. রাসেল সরকার
​রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখায় ফটোকপি ম্যান (গ্রেড-১৭) পদে কর্মরত মো. মিজানুর রহমান—যিনি পরিচিত শুধু ‘মিজান’ নামে। সাধারণ এই পদের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গড়ে তুলেছেন এক ভয়ঙ্কর প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের সাম্রাজ্য। নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করা, একে একে তিনটি বিয়ে করা এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ উঠলেও তিনি দিব্যি বহাল তবিয়তে নিজ কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, মিজানুর রহমানের মূল হাতিয়ার হলো সুচতুর প্রতারণা। বিভিন্ন নারীদের প্রেমের জালে বা সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে তাঁদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি বা তথ্য সংগ্রহ করতেন তিনি। পরবর্তীতে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে তাঁদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হতো বড় অংকের টাকা। এ পর্যন্ত তিনি একাধিক বা তিনটি বিয়ে করেছেন বলে তথ্য মিলেছে। তবে কোনো সংসারেই তিনি থিতু হননি। কিছুদিন ছলনার আশ্রয় নিয়ে সংসার করার পর সুকৌশলে স্ত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন উপায়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে চম্পট দেওয়াই ছিল তাঁর মূল কৌশল।

​শুধু নারীদের ব্ল্যাকমেইল করাই নয়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আরও রয়েছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতারণার জাল বিস্তার করার অভিযোগ। সচিবালয়ে চাকরি করার সুবাদে সহজ-সরল ও বেকার যুবকদের সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার লোভ দেখাতেন তিনি। মন্ত্রণালয় বা সচিবালয়ের বড় কর্তাদের সঙ্গে নিজের সক্ষতার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ধাপে ধাপে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেক চাকরিপ্রত্যাশী।

​একাধিক বিয়ে, নারীদের ব্ল্যাকমেইল এবং বড় অংকের আর্থিক প্রতারণার মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ মাথায় নিয়েও মিজানুর রহমান এখনো পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ সচিবালয়ের গ্রেড-১৭ এর বাজেট শাখায় ফটোকপি ম্যান হিসেবে বহাল তবিয়তে কর্মরত রয়েছেন। সরকারি দপ্তরে বসে এমন অনৈতিক ও অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরও তাঁর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় বা আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই প্রতারক কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ও সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকে।

​(বিস্তারিত আসছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে…)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category