মোটরসাইকেলে এলপিজি ব্যবহার সাশ্রয়ের মোহে বাড়ছে প্রাণঘাতী ঝুঁকি
Reporter Name
/ ১২১
Time View
Update :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
Share
খান বশির
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সুযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে মোটরসাইকেলে এলপিজি কিট ব্যবহারের বিজ্ঞাপন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সাশ্রয়ের চিন্তা থেকে অনেক বাইকার এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি শুধু অবৈধই নয়, বরং প্রাণঘাতী বিপদের কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলের মূল ইঞ্জিন বা জ্বালানি ব্যবস্থায় কোনো ধরনের পরিবর্তন করার আইনি অনুমোদন নেই। ফলে এলপিজি বা সিএনজি কিট ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ। বাজারে যেসব এলপিজি কিট পাওয়া যায়, তার অধিকাংশেরই কোনো মানসম্মত সার্টিফিকেশন নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোটরসাইকেলের সিটের নিচে স্থাপন করা এলপিজি সিলিন্ডার দুর্ঘটনার সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করে। সামান্য লিক বা ধাক্কা থেকেও ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এছাড়া বাইকের ইঞ্জিন পেট্রোল বা অকটেনের জন্য তৈরি হওয়ায় এলপিজি ব্যবহারে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, সামান্য অর্থ সাশ্রয়ের জন্য নিজের এবং অন্যের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। প্রয়োজনে বিকল্প হিসেবে ই-বাইক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। অবৈধ ও অনিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শখের বাইককে চলন্ত টাইম বোমা’য় পরিণত না করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।